আল্লাহর অস্তিত্ব সংকট!

অনেক প্রশ্ন অজানা। কারণ ১৪০০ বছর আগে এই দুনিয়াতে আমি ছিলাম না। তখন কি হয়েছিলো না হয়েছিলো সেসব বিষয় নিয়েও অনেক বিভ্রান্ত আছে যা অস্বাভাবিক কিছুই না। মণের গনিহে অনেক প্রশ্ন এসে জমা হয় কিন্তু উত্তর পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে পরে আমরা শুধু মাত্র বোকার মতোই প্রশ্ন করে যাই কিন্তু কাউকে উত্তরের জন্য জিজ্ঞেস করলে শুনতে হয় ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করো না, শুধু বিশ্বাস করো। গাধা থেকে মানুষ হবার চেষ্টা করছি কিন্তু জোর করে এরাই আমাকে আবার গাধা বানানোর চেষ্টা করছে।যেমন দেখুন –
সুরা ফাতেহা:

১) যাবতীয় প্রশংসা আল্লার। ২) যিনি পরম দয়াময় ও অতি দয়ালু। ৩) বিচার দিনের অধিকর্তা। ৪) আমরা তোমারই ইবাদত করি ও তোমারই সাহায্য চাই। ৫) আমাদেরকে সোজা পথে পরিচালিত করো। ৬) যাদেরকে পুরস্কৃত করেছ তাদের পথে। ৭) যারা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট তাদের পথে নয়।

কোরানের এক নাম্বার সুরা – সুরা ফাতেহা কি আল্লার রচিত? তাহলে আমার কিছু প্রশ্ন আছে।
১) আল্লা নিজেই কি বলছেন, যাবতীয় প্রশংসা আল্লার? কেউ কি নিজের কথা এভাবে বলে? আল্লা যদি বলেই থাকেন, তবে তিনি “যাবতীয় প্রশংসা আমার” না বলে “যাবতীয় প্রশংসা আল্লার” বললেন কেন? আল্লার তো বলার কথা, “যাবতীয় প্রশংসা আমার।” এই বাক্যটি আল্লার উদ্দেশ্যে অন্য কেউ বলেছে, তাই তো এই বাক্যে সুস্পস্ট। তা নয় কি?
২) আল্লা নিজেকে “যিনি” বলছেন কেন? তার তো বলার কথা, “আমিই পরম দয়াময় ও অতি দয়ালু।” আর কেউ দয়ালু হলেও কি নিজের কথা নিজেই এভাবে বলে? বিদ্যাসাগর মশাই সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করেছেন। নিজের সর্বস্ব মানুষের জন্য বিলিয়ে দিয়েছেন। নিজে না খেয়ে অন্যকে খাইয়েছেন। তিনি কি কখনো নিজের সম্পর্কে বলেছিলেন, “বিদ্যাসাগর মশাইই পরম দয়ালু ও অতি দয়াময়”? বিল গেটস বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মানুষের জন্য, মানবতার জন্য অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন। এরকম আরো অনেকেই মানবতার জন্য নিভৃতে কাজ করেন। তাঁরা কেউ কি কখনো বলেছেন, “এই যে শোনো, আমি অনেক দয়াময়?” আল্লা দয়ালু হলেও কি এই বাক্যে তার স্থূলতা প্রকাশ পায় না?
৩) তিনি নিজেকে নিজেই যেচে যেচে সবার বিচারক ঘোষণা করেছেন কেন? পৃথিবীর সকল মানুষ কি তাকেই একমাত্র বিচারক মানে -এমন কথা বলেছে? কেউ কেউ যদি তাকে বিচারক হিসেবে না চায়, তাহলে তাদের বিচার তিনি কীভাবে করবেন? এটা কেমন মগের মুল্লুক?
৪) আল্লারা কার ইবাদত করেন? কার সাহায্য চান? আল্লা তো বলেছেন, তিনিই সর্বশক্তিমান ও বিচার দিনের অধিকর্তা। তাহলে তিনিই আবার কার ইবাদত করেন ও কার কাছে সাহায্য চান?
৫) আল্লা প্রার্থনা করছেন, তাকে বা তাদেরকে যেন কেউ একজন সোজা পথে পরিচালিত করেন? যে সর্বশক্তিমান, সে অন্য কারু কাছে সোজা পথে পরিচালিত হবার জন্য আকুল আবেদন করছে কেন? বর্তমানে কি তিনি বাঁকা পথে পরিচালিত আছেন?
৬) কে কাকে পুরস্কৃত করেছে? আল্লা নিজেও কি পুরস্কৃত হতে চান? কার কাছে পুরস্কৃত হতে চান?
৭) যারা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট, তাদেরকে অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট কে করলো? কে সে অভিশম্পাতকারী ও পথভ্রষ্টকারী? কেন সে মানুষকে অভিশাপ দেয় ও পথ ভোলায়?
আমি তো জেনে  শুনেই যা যা লেখা আছে এগুলো নিয়েই কথা বলছি । এখন যদি কেউ গাধার মতো বলে শুধু বিশ্বাস করে যাও তাহলে বলব গাধা হয়ে বাঁচতে চাই না। যত পড়ই তত যানতে পারি। প্রশ্ন করি । জানার ইচ্ছা জাগে। আজগুবি  বিষয় গুলো মানতে কষ্ট হয় বলেই মানতে চাই না। আপনাদের কাছে আমি নাস্তিক আমি নাস্তিক হয়েই থাকি। প্রশ্ন করাকে যদি আপনারা অপরাধের শোঁখে দেখেন তাহলে আপনাদের ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

25 Responses

  1. এখানে বলা হয়েছে হিন্দুদের সুখ দুখের খবর শুধু ব্লগাররাই রাখে তাদের পাশে থাকে।কিন্তু আমি মনে করি হিন্দুদের উপর হামলার পিছনে ব্লগার নাস্তিকরাই জড়িত।তাদের উসকানীমূলক ব্যাক্তব্যের কারনে আজ এই রকম জঙ্গি হামলা দিন দিন তৎপর হয়ে উঠছে।

  2. আমি মনে করি হিন্দুদের পাশে থাকতে গিয়ে আজ ব্লগার নাস্তিকরা হুমকির মুখে।আমি মনে করি সরকারের দায়িত্ব ব্লগার নাস্তিকদের নিরাপওা প্রদান করা

  3. নাস্তিক ব্লগারদের কখন মুসলমানদের পাশে থাকতে চায় না। তারা শুধু হিন্দু ধমের পূজা করে থাকে।তাদের এই রাহাজানির কারণে হিন্দুরা আজ হুমকির মুখে।

  4. হিন্দুরা সবসময় বেইমানর বাচ্চা। তার সাথে যুক্ত হয়েছে মুসলমান নামদারি কিছু ব্লগার নাস্তিক।

  5. হিন্দুরা সবসময় বেইমানর বাচ্চা। তার সাথে যুক্ত হয়েছে মুসলমান নামদারি কিছু ব্লগার নাস্তিক।

  6. হিন্দুরা মালাউনের বাচ্চা। তাদের সাথে তাল মিলাচ্ছে মুসলমান নামদারী কিছু ব্লগার নাস্তিক রা।

  7. এইসব ব্লগার নাস্তিক দের শেষ করে দিলে ভালো হবে।

  8. ব্লগাররা হুিন্দুদের কি খেয়াল করবে তারাই মন্দির ভাংচুর এর সাথে জড়িত বলে আমি মনে করি কারণ তাদের উসকানীমূলক ব্যক্তবোর কারণে আজ এরকম হামলা হচ্ছে

  9. এইসব ব্লগারদের যেখানে পাবো সেখানেই শেষ করে দিলে ভালো হবে এতে দেশ কিছুটা হলেও শান্তি পাবে।

  10. হিন্দুদের সাথে ব্লগাররা মাথা ছেড়ে উঠেছে।এদেরকে থামাতে আমার বেশি সময় লাগবে না।

  11. এই ব্লগার শোন তোকে আমি যেখানে পাবো সেখানেই আমি কুপিয়ে জখম করে ফেলবো।

  12. তোদের দিন শেষ এখন শুধু শেষ দিনটা দেখার পালা।

  13. হিন্দুধমের উপর হামলা মেনে নেওয়া য়ায না।

  14. আজ দেশ বিদেশে ইসলাম ধর্মকে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে।তার মূল কারণ হলো আমরা মুসলমানরা দায়ী কারন হলো মুসলমানের ঘরে সন্তান হয়ে আজ হিন্দুধমের পূজা করছে।আর তারা হলো ব্লগার নাস্তিকরা। তাদের কারনে আজ পৃথিবী থেকে ইসলাম ধম নিষিদ্দ করা হচ্ছে।

  15. আজ পৃথিবী থেকে ইসলাম ধম তুলে নেওয়া জন্য আমি দায়ী করবো ব্লগার নাস্তিকদদেরকে

  16. পৃথিবী থেকে ইসলাম ধম কখনই তুলে নেওয়া যাবে না।

  17. আজকে পৃথিবীতে প্রায় ইসলাম ধম আজ হুমকির মুখে।এর মূল কারন হলো আজকে মুসলিমদের সাথে মুসলিমদের মারামারি এর মূল কারন হলো এটি।আর কিছু আছে মুসলমানের ঘরের সন্তান হয়ে হিন্দু ধমের পূজা করে বেড়ায় আর তারা হলো নাস্তিক ব্লগরার।

  18. নাস্তিক ব্লগারদের কারণে আজ ইসলাম ধম হুমকির মুখে।

  19. নাস্তিক শুওরের বাচ্চাদের কারণে আজ আমাদের শান্তির ধম ইসলাম ধম প্রায় হুমকির মুখ।

  20. এই নাস্তিক ব্লগারদের যেখানে পাবো সেখানেই কুপিয়ে জখম করে ফেলা ভালো।

  21. নাস্তিকদের উচিগ শিক্কা না পেলে তারা দিন দিন পার পেয়ে যাবে।তোদেরকে উচিত শিক্কা দিতে হবে

  22. কোনও নাস্তিক ব্লগাররা ইসলাম ধমকে ধংস্ব করতে পারবে না।

  23. এই নাস্তিক এর বাচ্চা শুনো তদেরকে এই পৃথিবী থেকে চিরতরে বিদায় করে দেব।

  24. আজকে প্রতিটি হামলার সাথে আমি মনে করি এই রকম নাস্তিক ব্লগাররা জডিত।

Leave a Reply to iqbal Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *