ইসলাম যখন নষ্টের গোঁড়া

শান্তির ধর্ম বলে তো আর কিছুই রইল না। আমি কথা বলি বলে আমি খারাপ। আসলে বিশ্বাস তা রাখি কি করে বলুন? আমি জানি আমাকে সবাই ইসলাম বিদ্ধেশি বলে সমকামী বলে  কিন্তু ঘটনা কিন্তু অন্যখানে । আমাকে সোজা বাংলায় কেউ বুঝাইতে পারে না যে ইসলাম আসলেই শান্তির ধর্ম। আসলেই কি তাই ইসলাম কি আসলেই শান্তির ধর্ম? তাইলে এত প্রশ্ন আসে কেন মণে?
 নবী! মুমিনদেরকে শত্রু দমনের উদ্দেশ্যে সশস্ত্র অভিযানে উৎসাহিত করুন। তোমাদের মধ্যে যারা দৃঢ়-চিত্ত ও ধৈর্যশীল হবে, তারা বিশজন হলে দুশমনদের দু’শজনকে পরাজিত করবে এবং একশজন হলে এক হাজার কাফেরকে পরাভূত করবে। কারণ তারা অজ্ঞান।
সূরা আত তাওবা-য় একটি যুদ্ধের দাওয়াত। এ সূরা পড়লে মনে হয় যেন একটি রণভেরী। এতে যুদ্ধের নিয়ম-কানুনও রয়েছে। লক্ষ্য করুন, আল্লাহ কীভাবে চুক্তিভঙ্গকারী মুশরিকদের প্রতি লা’নত বর্ষণ করেছেন:
তাদের বিরুদ্ধে লড়ে যাও। আল্লাহ তোমাদের হাতেই তাদের শাস্তি দেবেন এবং তাদেরকে লাঞ্চিত ও অপামানিত করবেন। তাদের মোকাবেলায় তোমাদের সাহায্য দান করবেন এবং মুমিনদের বুক ঠান্ডা করবেন। (সূরা আত তাওবা)
এবার আহলে কিতাব ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের সম্পর্কে আল্লাহ কী বলেছেন, তা লক্ষ্য করুন:
আহলে কিতাবদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী নয় এবং আল্লাহ ও তার রাসূল যেসব বস্তুতে হারাম ঘোষণা করেছেন, সেগুলোকে হারাম মনে করে না আর মেনে নেয় না দীনে হককে, তোমরা সেসব কিতাবধারীদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত থাক, যতক্ষণ না তারা অধীনতা ও বশ্যতা স্বীকার করে নিজেদের হাতে জিজিয়া দানে স্বীকৃত হবে। (সূরা আত তাওবা)
বের হয়ে যাও (জিহাদের উদ্দেশ্যে) অস্ত্র-শস্ত্র হালকা হোক বা ভারী হোক এবং আল্লাহর পথে তোমাদের জান-মাল লাগিয়ে দিয়ে জিহাদ কর। (সূরা আত তাওবা)
ইসলামের মুল কিতাব কুরানে এই ধরনের আয়াতগুলো কতটা শান্তির, যেখানে বিধর্মীদের জন্য যুদ্ধ ঘোষণার কথা বলা হয়েছে? যুদ্ধ কি কখনো শান্তি হতে পারে? অনেকে বলে, ইসলামের নামে যুদ্ধ, মারামারি, হানাহানি মানা যায় না। আপনারা কি ওপরের আয়াতগুলোকে অস্বীকার করবেন?
সারা দেশে চলছে ইউনিয়ন কাউন্সিল নির্বাচন। এই নির্বাচনী প্রচারণা করতে গিয়ে যা দেখছি, তাতে মনে হচ্ছে, ধর্ম ছাড়া নির্বাচন অসম্ভব। প্রত্যেক প্রার্থীকেই ধর্মের দোহাই দিতে দেখছি দারুণভাবে। ইসলামে যদিও নারী নেতৃত্ব হারাম, তারপর অনেক মৌ-লোভীকে দেখছি নারী প্রার্থীর হয়ে প্রচারণা করতে।এটা যে একটা স্বার্থ, তা বুঝতে খুব বেশি জ্ঞানী হবার দরকার নেই। তবে এলাকার অনেক মানুষ এক মৌ-লোভীর উপর বেজায় বিরক্ত হয়ে গেছে। সে বলছে, নারীদের ভোট দেয়া হারাম এবং বিধর্মী কাউকে ভোট দেয়াও হারাম। মৌ-লোভী যে ভুল কথা বলছে, তা কিন্তু নয়। সে ইসলামের আসল কথাটাই বলেছে। তবে মডারেট মুসলমানগুলো তার এই সব আচরণ মেনে নিতে পারছে না। কারণ এদের ইসলাম সম্পর্কে প্রকৃত জ্ঞান নেই। তবে এটা ভেবে একটু ভালো লাগছে যে, মানুষ আস্তে আস্তে মরুভুমির এই বর্বর ধর্মটাকে ভুলে যাচ্ছে।

এতক্ষণ ইসলাম নিয়েই শুধু কথা বললাম। অন্য ধর্মের লোকগুলো হয়তো ভাবছে, তাদের ধর্মগুলো খুব ভাল, শান্তির। তারা ভাবুক, আর আমরা বিনোদিত হই।

আমি সবাইরে নিয়াই বলি। শুধু ইসলামরে নিয়া বলি না? হিন্দুরা গ মূত্র খাঁয়। ছি ছি। শুধু তাই না আরও কত কি? ঠিক আছে মানলাম রেড মিট খাওয়া ভালো না। জেতা যেকোনো প্রাণীর হোক। তাই বলে গরুর মাংস খাওয়াই যাবে না, এমন কথা রে ভাই। এখানে ধর্মরে কেন টেনে আনা হবে রে ভাই ।

21 Responses

  1. তোরে কতল করা কিন্তু মাত্র সময়ের ব্যাপার। সময় থাকতে ভালো হয়ে যা ।

  2. সাহস থাকলে দেশে আয়তো দেখি, তারপর দেখি তোর কতবড়ো হ্যাডম?

  3. বিদেশে বসে সবাই অনেক বড় বড় কথা বলতে পারে। পারলে একবার দেশে আয় না?

  4. শুয়োরের বাচ্চা চড়াইতে চড়াইতে মেরে ফেলবো।

  5. কুত্তার বাচ্চা তোরে সামনে পাইলে ডগি স্টাইলে চুইদা পাছা ফাটাইয়া ফালাইমু, খানকির বাচ্চা।

  6. বেয়াদবির একটা সীমা থাকা উচিত। তোরে শাস্তি দেওয়ার সময় আসছে।

  7. হালার পো তোরে না মানা করসিলাম লেখালেখি করতে? তারপরও? দাড়া তোরে মজা বুঝানোর সময় হয়ে গেসে।।

  8. ei je gonotontrer kotha bolchis, jodi gonotontro na thakle ei baje kotha golo likte partinare khankir pola.

  9. সময় থাকতে ফালতু লেখালেখি বন্ধ করে ফেল নাইলে কিন্তু ভালো হবেনা বলে দিলাম।

  10. শালি তুই আওয়ামীলীগ নিয়ে কথা বলছিস কেন?

  11. তোকে গুম করে দিতে কিন্তু ২ মিনিটও লাগবেনা

  12. তোকে সামনে পেলে হাড় গুড়ো করে ফেলবো

  13. খানকির বাচ্চা, এসব আজেবাজে কথা বলা বন্ধ কর।

  14. এই মালাউন, তোরে কিন্তু বেত দিয়ে পা থেকে মাথা পর্যন্ত পিটামু।

  15. সব হিন্দু মালাউনদের লাঠিপেটা করে ইন্ডিয়া পাঠিয়ে দেওয়ার দাবী জানাচ্ছি।

  16. ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করবি আর কোন আইন করা হবে না?

  17. তোদের মতো এই নাস্তিকদের জন্যই এই আইন।,

  18. নাস্তিকদের দেখিবামাত্র কতল করা জায়েজ

  19. হালার পো তোরে না মানা করসিলাম লেখালেখি করতে? তারপরও? দাড়া তোরে মজা বুঝানোর সময় হয়ে গেসে।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *